শ্রীপুরে তরুণী ধর্ষণ, ধর্ষক চাচাতো ভাই
ছবিতে অভিযুক্ত রাতুল ও অভিযোগে কপি
ছবিতে অভিযুক্ত রাতুল ও অভিযোগে কপি
গোপালগঞ্জ বিদ্যালয়
ছবি সংগৃহীত
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার খালেক বাজার ও টুঙ্গিপাড়া বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় অভিযানটি চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—টুঙ্গিপাড়া উপজেলার চর কুশলী গ্রামের আব্দুল্লাহ শেখের ছেলে মো. শামীম শেখ (২০) এবং চর গোপালপুর গ্রামের কালাম শিকদারের ছেলে মো. সজীব শিকদার (৩৫)।
অভিযানকালে শামীম শেখের কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা এবং সজীব শিকদারের কাছ থেকে পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত শামীম শেখকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড এবং সজীব শিকদারকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
অভিযানে টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আয়ুব আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়।
ছবি সংগৃহীত
ভারতের অরুণাচল প্রদেশের চাংলাং জেলায় টহলরত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলায় আসাম রাইফেলসের এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত জওয়ানের নাম হাবিলদার জানখোকাই কুকি (৪২)। আহত চার জওয়ানকে চিকিৎসার জন্য সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ২১ আসাম রাইফেলসের একটি দল ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল। একই সময়ে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজও চলছিল। এ সময় টহলরত দলের ওপর হামলা চালানো হয়।
প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ডের খাপলাং-ইয়ুং অং (এনএসসিএন-কে-ওয়াইএ) গোষ্ঠীর বিদ্রোহীরা এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। তবে হামলার দায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।
হামলার পর ওই এলাকায় বিদ্রোহীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলাকারীদের শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
চাংলাং জেলার ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তার দিক থেকে সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে বিবেচিত। এ অঞ্চলে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সদস্যদের চলাচল রয়েছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর টহল ও অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হয়।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
আপনার মতামত লিখুন